শনিবার, এপ্রিল ২০, ২০২৪
হোমজেলাব্রাহ্মণবাড়িয়াআখাউড়ায় এক কিশোরীকে ধর্ষন ও আরেক শিশুকে ধর্ষন চেষ্টা ॥ গ্রেপ্তার এক

আখাউড়ায় এক কিশোরীকে ধর্ষন ও আরেক শিশুকে ধর্ষন চেষ্টা ॥ গ্রেপ্তার এক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার খলাপাড়ায় কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় পুলিশ ইব্রাহিম হোসেন অপু (২০) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশের সহায়তায় রবিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ষোললৌহঘর গ্রামের এক কিশোরী শুক্রবার রাতে মায়ের ওপর অভিমান করে পাশের গ্রামের খালার বাড়িতে যাচ্ছিল। কিশোরীকে একা পেয়ে খলাপাড়া গ্রামের জিয়ার হোসেন (৩৫) ও তার সহযোগীই ইব্রাহিম হোসেন অপু একটি কালভার্টের ওপর নিয়ে ধর্ষণ করে। শনিবার রাতে ওই কিশোরী পরিবারের লোকজন নিয়ে এসে থানায় এ বিষয়ে অভিযোগ করে। রাতেই পুলিশ ইব্রাহিম হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় কিশোরীর পিতা বাদী হয়ে আখাউড়া থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আদালতে পাঠায়। এদিকে গত ২ নভেম্বর আখাউড়া পৌর এলাকার কলেজপাড়ায় প্রায় ৪০ বছর বয়সী তোফায়েল নামে এক ব্যক্তির লালসার শিকার হন পাঁচ বছর বয়সী শিশু। বিষয়টি পরদিন আখাউড়া থানা পুলিশকে অবহিত করা হলে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের পর ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হবে বলে ভুক্তভোগীর পরিবারকে জানিয়ে দেওয়া হয়। এরই মধ্যে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর ওই শিশুর সঙ্গে কথাও বলে যান। ওই শিশুর নানি রবিবার দুপুরে এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘ঘটনার পরদিন গোসল করানোর সময় আমার নাতিনের কাপড়ে রক্ত দেখতে পায় তার মা। তখন আমার নাতনি জানায়, পাশের বাড়ির তোফায়েল নামে এক ব্যক্তি তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। চিৎকার শুরু করলে দা দিয়ে কেটে ফেলার ভয় দেখায়। সেই ভয়েই বাড়িতে এসে সে ঘটনা বলেনি।’ তিনি বলেন, ‘ঘটনার পরপরই আমরা পুলিশের কাছে যাই। কিন্তু গত কয়েক দিনেও কোনো উদ্যোগ পুলিশ না নেওয়ায় আজ (রবিবার) দুপুরে তাকে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসি। সেখান থেকে আমাদেরকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিয়ে আসতে বলা হয়।’
আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রসুল আহমেদ নিজামী বলেন, কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগ পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পলাতক আরেকজনকেও গ্রেপ্তারে চেষ্টা চালানো হচ্ছে। শিশু ধর্ষণচেষ্টার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘থানার আসার পর গুরুতর কোনো কিছু বলেনি শিশুটির পরিবার। অভিযুক্তকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিচারের একটা পরিকল্পনা ছিল। শিশুটির পরিবার কেনো ডাক্তারি পরীক্ষা করাতে গেলেন সেটি আমি জানি না।

মন্তব্য করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments