মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৩
হোমজেলামানে নয়, দামে সর্বোচ্চ হ্যালো বেকারীর মিষ্টি।। প্রতিনিয়তই ঠকছে ক্রেতারা

মানে নয়, দামে সর্বোচ্চ হ্যালো বেকারীর মিষ্টি।। প্রতিনিয়তই ঠকছে ক্রেতারা

মানে নয়, দামে সর্বোচ্চ হ্যালো বেকারীর মিষ্টি!প্রতিনিয়তই ঠকছে ক্রেতারা

@মোঃ সামিউল আহমেদ সামি:

ছানামুখী, রসমালাই, জাফরান ভোগ, তালের বড়াসহ নানারকম মিষ্টির জন্য দেশব্যাপী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার খ্যাতি রয়েছে। শহরের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টির দোকানগুলো অত্যন্ত সুনামের সাথে দীর্ঘদিন যাবত এসব মিষ্টি তৈরি করে আসছে, ক্রেতাদের কাছে এসব দোকানের মিষ্টির ব্যাপক চাহিদাও রয়েছে। এই সুযোগে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী নিম্নমানের বিভিন্ন মিষ্টি তৈরি করে ক্রেতাদের কাছ থেকে ইচ্ছামতো দাম আদায় করছে, ফলে ঠকছে ক্রেতারা। সাম্প্রতিক সময়ে নানা মিষ্টি তৈরি করে আলোচনায় আসে হ্যালো বেকারি। কিন্তু দামের ক্ষেত্রে ইতোমধ্যে সবাইকে ছাড়িয়ে গেছে তারা, মানে এগিয়ে যেতে না পারলেও দামে তাদের এগিয়ে যাওয়া দেখে ক্রেতাদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন ক্রেতারা প্রশ্ন তোলেন এই প্রতিষ্ঠানটি ক্রেতাদের নিকট থেকে ইচ্ছেমতো দাম আদায় করছে। অনেকেই তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। সাজ্জাদ মাহমুদ নামের এক ব্যক্তি জানায় আমি কাউতলি এলাকায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে যাচ্ছিলাম আশপাশে ভালো কোনো মিষ্টির দোকান না থাকায় আমি হ্যালো বেকারি থেকে ১কেজি ছানামুখি ক্রয় করি ৮০০ টাকায় অথচ শহরের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টির দোকানগুলো উৎকৃষ্টমানের ছানামুখি বিক্রি করছে ৭০০ টাকা কেজি দরে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একাধিক ব্যক্তি হ্যালো বেকারির মিষ্টির দাম ও মান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। সরেজমিনে গিয়েও ক্রেতাদের অভিযোগের প্রমাণ মিলে। হ্যালো বেকারি তাদের তৈরি জাফরান ভোগ বিক্রি করছে ৮০০ টাকা কেজি দরে অথচ শহরের প্রসিদ্ধ মিষ্টির দোকানগুলোতে উৎকৃষ্ট মানের জাফরান ভোগ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকা কেজি দরে। দামের এমন পার্থক্য রয়েছে তাদের অন্যান্য মিষ্টির ক্ষেত্রেও। শুধু তাই নয়, শহরের মিষ্টির দোকানগুলোতে ক্রেতারা চাইলে এক পিচ জাফরান ভোগ কিনতে পারে কিন্তু হ্যালো বেকারি জাফরান ভোগসহ কিছু মিষ্টি এক কেজির কমে বিক্রি করে না। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে হ্যালো বেকারি কর্তৃপক্ষ জানান আমাদের মান ভালো তাই বেশি দামে বিক্রি করছি।শহরের অন্যান্য মিষ্টির দোকানগুলোর মান ও দামের উদাহরণ দিলে তারা কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সহকারী পরিচালককে বিষয়টি অভিহিত করলে তিনি জানান দামের এমন বৈষম্য অযৌক্তিক, বিষয়টি দ্রুত খতিয়ে দেখা হবে।

মন্তব্য করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments